দখল হয়ে যাচ্ছে মুন্সিগঞ্জের রজতরেখা নদী
196

এক সময় যে নদীটির আয়তন ছিলো ৪৮০ ফুট প্রস্থ প্রায়। দৈর্ঘ্য ১০-১২ কিঃ মিঃ প্রায়। মুন্সিগঞ্জ সদর থানা শিলই ইউনিয়নের পূর্বরাখী গ্রাম এবং টংগীবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের দিঘীরপাড় বাজার, এই দুই এলাকার মাঝ পথ দিয়ে বয়ে গেছে দক্ষিণে পদ্মার ছোট্র শাখা নদীর কিনার ঘেঁষে উত্তরে মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন মাকাহাটির কাজলরেখা নদী অর্থ্যৎ মাকাহাটি থেকে পশ্চিমে আলদী বাজারের পাশ ঘেঁষে যে নদীটি পশ্চিমে টংগীবাড়ীর দিকে চলে গেছে এটিই হচ্ছে কাজলরেখা নদী। রজতরেখা এবং কাজলরেখা এই দুই নদীকে দুই বোন বলা হয়ে থাকে। আর তাদের জননী বলা হয় পদ্মা নদীকে।

মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের এবং চর কেওয়ার ইনিয়নের কয়েকটি গ্রাম ছুঁয়ে কাটাখালী এবং মুন্সীরহাট দিয়ে মিলিত হয়েছে ধলেশ্বরী নদীতে। এই রজতরেখা নদী দিয়ে পূর্বে অনেক বড় বড় নৌকা, লঞ্চ চলাচল করতো। কোন দূর্ঘটনার কবলে পড়ে নৌকা,লঞ্চ ডুবে গেলে খোঁজে পাওয়া অসম্ভব হয়ে যেত।

সেই নদীটি আর নদী নেই। শাখা নদী পদ্মার মূল পয়েন্ট থেকে দিঘীরপাড় বাজার হয়ে প্রায় ২ কিঃ মিঃ জায়গা এক শ্রেণির স্বার্থলোভি প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রজতরেখা নদীটি ভরাট করে চলেছে।

ফলে নদীর জল প্রবাহবেগে বাঁধা বিঘ্ন ঘটছে। বর্তমানে যার প্রস্থ হচ্ছে মাত্র ৬০-৭০ ফুট প্রস্থ ।

আজ নদীটিকে স্থানীয় লোকজন মরা নদী নামে চিনেন।

টংগীবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড়, কামারখাড়া, যশলং ইউনিয়ন এবং মুন্সীগঞ্জ থানার শিলই,মোল্লাকান্দি, চর কেওয়ার ইউনিয়নের জন সাধারণের প্রাণের দাবি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যেন এই রজতরেখা নদীটির নাব্যতা এবং জল প্রবাহের গতি বেগ ফিরিয়ে আনতে সচেতন হন।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ