১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বৃহস্পতিবার | সকাল ৯:১২
Search
Close this search box.
Search
Close this search box.
মুন্সিগঞ্জে বনভোজনে এসে রিসোর্টের খাবার খেয়ে অসুস্থ শতাধিক!
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, নিজস্ব প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা ভিলেজ হোলিডে রিসোর্টে বনভোজনে এসে তাদের সরবরাহকৃত খাবার খেয়ে শতাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে গজারিয়ার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নে অবস্থিত মেঘনা ভিলেজ হোলিডে রিসোর্টে বনভোজনে আসেন নোয়াখালী জেলার চাটখিলের কড়িহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। দুপুরের খাবারের পরপরই ধীরে ধীরে প্রায় সকলেই পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হন।

অসুস্থরা গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

বনভোজনে অংশ নেয়া বিদ্যালয়টির প্রাক্তন ছাত্র অ্যাডভোকেট আমির হোসেন জানান, মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্টে আজ (শুক্রবার) কড়িহাটি হাই স্কুল এক্স-স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন সংগঠনের বনভোজন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

২০টি মাইক্রোবাস, ৪টি বাস ও একটি মিনি বাসে করে সাড়ে তিন শতাধিক মানুষ এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সবার খাবারের ব্যাপারে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আগেই চুক্তি হয়। তারা সকাল ও বিকালের নাস্তাসহ দুপুরের খাবার সরবরাহের দায়িত্ব নেন।

সকালের নাস্তা খাওয়ার পরে কোন সমস্যা হয়নি। কিন্তু দুপুরের খাবারের পর কিছু লোকের পেট খারাপ শুরু হয়। দুপুরের খাবারের মেনুতে ভাত, গরুর মাংস, মুরগির রোস্ট এবং সবজি ছিল। আমাদের ধারণা, গরুর মাংস বাসি অথবা পঁচা ছিল। কারণ খাওয়ার সময় সেটি থেকে গন্ধ বের হচ্ছিল। এরপর সন্ধ্যায় নাস্তায় দেওয়া হয় দুই রকমের পিঠা। সন্ধ্যার পর একের পর এক মানুষ অসুস্থ হতে থাকে। অসুস্থ ১৫-২০জনকে স্থানীয় হাসপাতাল এবং আরও কয়েকজনকে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেয়া হয়।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মনির হোসেন বলেন, সবাই অসুস্থ। আমরা কিছু লোক নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেছি। খাবারের বিষক্রিয়া থেকে এরকম ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছি।

গজারিয়া থানার ওসি মোল্লা সোহেব আলী বলেন, খবর শুনে আমরা ঘটনাস্থলে এসে খোঁজখবর নিয়েছি। অসুস্থরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে কারও অবস্থা গুরুতর নয়। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুুক এক কর্মচারি দাবি করেন, তারা বাইরে থেকে খাবার নিয়ে এসেছিলেন। সেগুলো খেয়ে ফেরার পথে অসুস্থ হয়েছেন বলে শুনেছি।

error: দুঃখিত!