হালিমা গণধর্ষণ ও হত্যার রহস্য উদঘাটন করে পুরষ্কার পেলেন মুন্সিগঞ্জ পিবিআইয়ের ৩ সদস্য
42

মুন্সিগঞ্জ, ৯ জুন ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর এক নারীকে হত্যার ঘটনায় রহস্য উদঘাটন করে প্রশংসা ও স্বীকৃতি পেয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তিন কর্মকর্তা। এ ঘটনায় তাঁদের নগদ অর্থ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

সোমবার (৮ জুন) পিবিআই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পিবিআই জানায়, গত ২৯ মে গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের ভাটেরচর এলাকার ফুলদী নদী থেকে এক অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ উদ্ধার করে গজারিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ি। পরে পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার তদন্তে পিবিআই মুন্সিগঞ্জের একটি ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থলে যায়।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মরদেহটি গলিত অবস্থায় থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে ভুক্তভোগীর দূরসম্পর্কের আত্মীয় ইমরান হোসেনের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ব্যাপক বিশ্লেষণ চালানো হয়।

তদন্তে উঠে আসে, অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভুক্তভোগী হালিমাকে ভাটেরচর এলাকার একটি নির্জন ভুট্টাখেতে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। পরে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ গোপনের উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

পিবিআই আরও জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হলে তাঁরা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ ঘটনার তদন্তে বিশেষ অবদান রাখায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) রনি দেবনাথ এবং অভিযানে সহায়তাকারী এসআই (নিরস্ত্র) রামপ্রসাদ ঘোষ ও এসআই (নিরস্ত্র) মো. জুবায়ের হোসেনকে নগদ ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান ও সম্মাননা প্রদান করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পিবিআই কর্মকর্তারা বলেন, জটিল ও নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য দ্রুত উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সরকারের এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে পুলিশ সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল ও উৎসাহিত করবে।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ