সিরাজদিখানে দামি মোবাইলের জন্য প্রাণ গেল স্কুল ছাত্রের
১৮৯

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে বাহার আলিফ (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

সে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী গ্রামের সৌদি প্রবাসী বাদল শেখের ছেলে।

তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সিরাজদিখান থানা পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

সে উপজেলার শেখ মিয়ার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বাড়িতে শত শত এলাকাবাসী মরদেহ এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমাচ্ছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আলিফ গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের আগে বাড়িতেই ছিল। এরপর আর তাকে পাওয়া যায়নি। অনেক খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বিকেল ৩টায় বাড়ির দক্ষিণের ইছামতি নদীর খালের পাড়ে তার মরদেহ দেখা যায়। কচুরিপানা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় এলাকাবাসী মরদেহটির পা দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে।

পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ সন্ধ্যায় স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

নিহত স্কুল ছাত্রের চাচা মোক্তার হোসেন জানান, আমাদের পরিবারের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ নেই। তবে ধারণা হচ্ছে, তার হাতে একটি দামি মোবাইল ফোন ছিল, মোবাইলটি নিয়ে যাওয়ার জন্য হয়তো ভাতিজাকে হত্যা করা হয়েছে।

সিরাজদিখান থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান জানান, নিহতের সারা শরীরে ৩৮টি দেশি অস্ত্রের (কাচি) আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে কুপিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ