২৪শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সোমবার | ভোর ৫:৫৯
Search
Close this search box.
Search
Close this search box.
শ্রীনগরে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি হচ্ছে!
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সরকারের দেয়া হতদরিদ্রদের আশ্রায় প্রকল্পের ঘর কেনাবেচা করা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার রাঢ়ীখাল ইউনিয়নের নতুন বাজার (কলাগাইচ্ছা) এলাকায় সরকারী অর্থায়নে ওই প্রকল্পে তৈরি করা হয় হতদরিদ্রদের জন্য ৪৫টি ঘর। বসবাসের জন্য পরিপূর্ণভাবে শোবার ও রান্না করাসহ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে ওই টিনশেড ঘরগুলোতে। খবর পাওয়া গেছে আশ্রায়ণ প্রকল্পের সভাপতি নুরু শেখ ও সদস্য আজিবরসহ একটি সিন্ডিকেটের কারসাজিতে টাকার বিনিময় ঘর কেনাবেচা করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আড়িয়াল বিলের পাশে আশ্রয়ণ প্রকল্প কেন্দ্রটিতে বসবাস করছেন বিভিন্ন পরিবার। লক্ষ্য করা গেছে ঘরের মধ্যে শোবার ও রান্না করার সুযোগ সুবিধা রয়েছে। তার পরেও বসবাসকারীর অনেক পরিবার সরকারী আইন লঙ্ঘন করে ওই ঘরের নিয়মনীতি ভঙ্গ করে বাইরে তাদের ইচ্ছে মতো জায়গা দখল করে আবাসন তৈরি করছেন।

এ সময় আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী আজিবর শেখ, নারগিস বেগম, শাহিন শেখ, কল্পনা বেগম মনখুশিসহ অনেকেই বলেন, ঘরের ভেতর থেকে রান্না করার রুম ভেঙ্গে বাইরে নিয়ে এসেছি। এখানকার সবাই তা করছেন। পাশেই নতুন টিনের ঘর তোলার বিষয়ে জানতে চাইলে আজিবর বলেন, থাকার সমস্যা তাই ঘর তুলেছি। টাকার বিনিময় এখানে ঘর বিক্রির বিষয়ে তিনি জানান, ৮০ থেকে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে এখানে ঘর বিক্রি করা হয়েছে।

আজিবর আরও বলেন, কমিটির সভাপতি মোঃ নুরু শেখও ঘর ক্রয়সূত্রে এখানে বসবাস করছেন। তার মতো অনেকেই এখানে ঘর কেনাবেচা করেছেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা সরেজমিনে গিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের মধ্যে কোন প্রকার নীতি ভেঙ্গে আলাদাভাবে স্থাপনা করতে নিষেধ করলেও মানা হচ্ছে না। উপজেলার সদর ইউনিয়নের হরপাড়ার আজিবর ওই আশ্রয়ণ প্রকল্পের এফ-৫ রুমে বসবাস করছেন। তিনি এর বাইরেও আলাদাভাবে টিনের ঘর, রান্না ঘর তুলেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ নুরু ও আজিবর ঘর কেনাবেচায় সহযোগিতা করে সুবিধা ভোগ করেন। এমন অনেকেই রয়েছেন আশ্রয়ণ প্রকল্পের নীতি ভঙ্গ করছেন। এছাড়া কেউ কেউ ভাড়া দিয়েছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজরে নেয়া উচিত।

প্রকল্পের সভাপতি মোঃ নুরু শেখের কাছে জানতে চাইলে ঘর কেনাবেচার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, আমি এখানকার সভাপতি হওয়ার আগেও ঘর বিক্রি হয়েছে এখনো হয়। তার ঘরটিও তার নামেই বরাদ্দ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

error: দুঃখিত!