২৮শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
শনিবার | রাত ৩:২৩
শুরু হলো ইজতেমার প্রথম পর্ব, লাখো মুসল্লির জুমার নামায আদায়
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৩, আমার বিক্রমপুর ডেস্ক (আমার বিক্রমপুর)

লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে মুখরিত টঙ্গীর তুরাগতীর। বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের প্রথম দিনে দেশি-বিদেশি আলেম-ওলামার বয়ানে ধ্বনিত হয়েছে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য আর মানবতার মুক্তির বার্তা। তাবুতে-তাবুতে চলেছে তাশকিল, তালিম ও তাবলিগের দাওয়াত। এদিন একসঙ্গে কয়েক লাখ মুসল্লি আদায় করেছেন পবিত্র জুমার নামাজ।

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের প্রথম দিন আজ শুক্রবার ইজতেমা মাঠে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় জুমার নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে জুমার জামাত শুরু হয়। নামাজের ইমামতি করেন বাংলাদেশের মাওলানা জোবায়ের।

ইজতেমায় যোগদানকারী মুসল্লি ছাড়াও জুমার নামাজে অংশ নিতে রাজধানী ঢাকা-গাজীপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার লাখ-লাখ মুসল্লি ইজতেমাস্থলে হাজির হন। ভোর থেকেই রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা থেকে ইজতেমা মাঠের দিকে মানুষের ঢল নামে। দুপুর ১২টার দিকে ইজতেমা মাঠ কানায়-কানায় পুর্ণ হয়ে আশপাশের খোলা জায়গা অবস্থান নেয়।

এছাড়া টঙ্গীর বিভিন্ন বাড়ির ছাদ থেকে মুসল্লিরা জুমার নামাজে শরিক হন। বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে মুসল্লিরা ইজতেমা মাঠের দিকে ছুটে আসেন জুমার নামাজ আদায় করার জন্য। মাঠে স্থান না পেয়ে মুসল্লিরা মহাসড়ক ও অলি-গলিসহ যে যেখানে পেরেছেন হোগলা পাটি, চটের বস্তা, খবরের কাগজ বিছিয়ে নামাজে শরিক হয়েছেন। ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরের আগেই ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকা, সড়ক ও ভবন কানায় কানায় ভরে যায়। এ কারণে বাদ জোহর থেকেই শুরু হয় তালিমি বয়ান। রোববার দুপুরের আগে মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথমপর্ব।

বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত ভারত, সিরিয়া, পাকিস্তান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চাঁদ, মিয়ানমার, আফগানিস্তানসহ ৪০ দেশের প্রায় দুই হাজার বিদেশি মেহমান ময়দানে নির্ধারিত নিবাসে অবস্থান নিয়েছেন। এ তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়কারী মুফতি জহির ইবনে মুসলিম।

ইজতেমা শুরুর মধ্য দিয়ে ইবাদত-বন্দেগি আর আল্লাহর গুণবাচক ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে ময়দান। বয়ান, কারগুজারি, তাশকিল, তালিম, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির-আসকার ও ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল মুসল্লিরা।

 

error: দুঃখিত!