১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
শনিবার | দুপুর ১২:৩৮
Search
Close this search box.
Search
Close this search box.
রিজেন্টের শাহেদের বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জে মামলা
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, সদর প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

রিজেন্ট কেছিএস লি: এর চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে ৩ লক্ষ টাকার চেক জালিয়াতির অভিযোগে মুন্সিগঞ্জ আদালতে মামলা হয়েছে।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সাহেদ এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যুর আদেশ দিয়েছেন।

গত রোববার মুন্সিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালত ৪এ সিআর মামলা নং ১২৭/২০ দায়ের করেন বালু ব্যবসায়ী হুমায়ূণ কবির।

আদালতের বিচারক আরফাতুল রাকিব মামলাাটি আমলে নিয়ে এই গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দেন।

মামলার সুত্রে জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জ টংগিবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাহপুর এলাকার মৃত আবুবক্কর চোকদারের ছেলে মো. হুমাইন কবির ওরফে শোভন চোকদার দির্ঘ দিন যাবৎ ঢাকার মিরপুর-১২ এলাকার সেকশন ১/এ রোড নং-১ হাউজ নং-৮ এর পিয়াংকা হাউজিংয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন।

ওই প্রতিষ্ঠানে সাহেদ বালু কিনতে গেলে হুমায়ূন কবির শোভন এর সাথে তার পরিচয় হয়। সাহেদ ওই বালূ ব্যাবসায়ীর কাছ হতে ১২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮ শত ১৬ টাকার বালু কিনে ওই ব্যাবসায়ীকে নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন। বাকী টাকা পরে দেওয়ার কথা বলে আসামী তার নিজ নামীয় প্রাইম বাংক এর অন লাইন শাখা হিসাব নং ০০১১১০০০০০২৬৮ এর ২ লক্ষ টাকার একটি চেক গত ৩ জুলাই ২০২০ ইং তারিখে পরে একই হিসাব নাম্বারের আরো একটি ১ লক্ষ টাকার চেক দেন।

পরে ওই বালু ব্যবসায়ী উক্ত চেক ২টির টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যাবসায়ীর নামের জনতা ব্যাংক টংগিবাড়ী আব্দুল্লাহপুর শাখায় জমা দিলে সাহেদ এর একাউন্টে টাকা না থাকায় ডিসঅনার করে ফেরত দেন। পরে ওই ব্যাবসায়ী মুন্সিগঞ্জ আদালতে চেক ডিসঅনারের বিষয়ে মামলা করলে আদালত এ গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যুর আদেশ দেন।

সোমবার মামলার বাদী শোভন চোকদার মুঠোফোনে জানান, প্রায় ১ বছর আগে সাহেদকে আমি ট্রাকে ভরে তার কথা মতো ৩টি প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকার বালু দেই। সে আমাকে নগদ ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং ৩ লক্ষ টাকার চেক দেয় এবং সেই সময় বাকি টাকা পরে দিবে বলে জানায়।

এ ব্যাপারে বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট নিখিল চন্দ্র মল্লিক জানান, আসামী সাহেদ করিম আমার মোয়াক্কেল মো. হুমাইন কবির ওরফে শোভন চোকদারের নিকট হতে ১২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮ শত ১৬ টাকার বালু ক্রয় করে নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে বাকী টাকা নগদ না দিয়ে আসামী তার নিজ নামের ৩লক্ষ টাকার ২টি চেক দেয়। পরে আমার মোয়াক্কেল তার নিজ নামের ব্যাংক হিসাবে জমা দিলে ব্যাংক কতর্ৃপক্ষ সাহেদের একাউন্টে টাকা না থাকায় চেক ২টি ডিসঅনার করে ফেরত দেয়। পরে উকিল নোটিশ দিলেও আসামী টাকা ফেরত না দেওয়ায় রোববার আদালতে মামলা করি। আদালত সাহেদের প্রতি গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দিয়েছেন।

error: দুঃখিত!