২৫শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
শনিবার | সকাল ৮:৩০
Search
Close this search box.
Search
Close this search box.
রাত পোহালেই মিরকাদিমে ভোট, সতেরো’র মধ্যে ১১ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, বিশেষ প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার নির্বাচন। এই নির্বাচনে ১৭টি কেন্দ্রের ১২৪ টি বুথে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ হবে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১১টি কেন্দ্র, যা মোট কেন্দ্রের ৬৪ শতাংশ।  

নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকছেন ৩৭৬ জন পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি তিন প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাবের টহল টিম ও ১৫০ জন আনসার সদস্য নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন।

১৯৯৫ সালে প্রাচীন নদীবন্দর মিরকাদিম কে পৌরসভা ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে ৯টি ওয়ার্ডে গঠিত এ পৌরসভায় ভোটার ৩৭ হাজার ৩৭৬ জন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, ভোটারদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি না হয় এজন্য ঝুঁকিপূর্ণ না বলে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়। ভোটার সংখ্যা, কেন্দ্রের ভৌগলিক অবস্থান, প্রার্থীর নিজ এলাকা এবং আগের ভোটের পরিস্থিতি অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ বদর-উদ-দোজা ভূঁইয়া জানান, এ নির্বাচনে ৫২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে চারজন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১১ জন ও সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর ৩৭ জন। ১৭টি কেন্দ্রের ১২৪ কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। এ পৌরসভায় ৩৭ হাজার ৩৭৬ জন ভোটার আছেন। ইতোমধ্যে ১০৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, ২০৮ জন পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে কোনো আইনি বাধাও নেই।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) খন্দকার আশফাকুজ্জামান জানান, এ পৌরসভা নির্বাচনের জন্য ৩৭৬ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে তিন প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাব, আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ও ছয়টি কেন্দ্র সাধারণ। তবে সব কেন্দ্রে থাকবে ছয়জন পুলিশ সদস্য।

স্থানীয় ভোটাররা জানান, আদালতে জায়গা জটিলতার অভিযোগ এনে দু’জন ভোটার রিট করেছিলেন। ফলে ৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন স্থগিত করেছিল আদালত। তবে আরেকজন মেয়র প্রার্থী রিটের বিরুদ্ধে আবেদন জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে আইনি বাধা সরে যাওয়ার নির্দেশনা আসে।

error: দুঃখিত!