১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সোমবার | দুপুর ২:৩৮
Search
Close this search box.
Search
Close this search box.
মুন্সিগঞ্জে বাঁশ আর কাগজে তৈরি শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানালো শিশুরা
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েল, গজারিয়া (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার না থাকায় একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বাঁশ ও কাগজ দিয়ে তৈরি শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে খুদে শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ের নিজস্ব শহীদ মিনার না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শ্রদ্ধা নিবেদন থেকে বঞ্চিত হয়েছে স্থানীয় শিশু-কিশোররাও।

আজ মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নে ভাষারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশ আর কাগজে তৈরি শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ করছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের ভিটিকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আড়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়েও দেখা গেছে একই চিত্র।

অন্যদিকে, শহীদ মিনার না থাকায় নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক মাইল দূরে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী গজারিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান।

মঙ্গলবার উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের ভাষারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার না থাকায় বাঁশ ও কাগজ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে মাতৃভাষা দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘ বছর স্কুলটি প্রতিষ্ঠা হলেও এখনও শহীদ মিনার তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের সময় অনেক প্রার্থী শহীদ মিনার তৈরির আশ্বাস দিলেও নির্বাচিত হওয়ার পর বিষয়টি ভুলে যান তারা।

এদিকে, ভবেরচর ইউনিয়নের ভিটিকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও শহীদ মিনার না থাকায় বাঁশ ও কাগজ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। বাঁশ ও কাগজ দিয়ে শহীদ মিনার বানিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।

একইভাবে আড়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও শহীদ মিনার না থাকায় বাঁশ ও কাগজ দিয়ে শহীদ মিনার বানিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। স্কুলটি অনেক পুরনো হলেও স্কুলে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী জানান, আধুনিক যুগে বাঁশ ও কাগজ দিয়ে শহীদ মিনার বানিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন খুবই দুঃখজনক।

error: দুঃখিত!