১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বৃহস্পতিবার | সকাল ১০:০১
Search
Close this search box.
Search
Close this search box.
মুন্সিগঞ্জে ধাক্কায় প্রাইভেটকার পানিতে, প্রাণ গেছে এক পরিবারের ৩ জনের
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ৪ মে ২০২৪, নিজস্ব প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া অংশের বাউশিয়া এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় প্রাইভেটকার খাদে পড়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হন আরও ২ জন।

শুক্রবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার কাদরা গ্রামের হোসেন আলী বেপারীর ছেলে আলমগীর হোসেন (৫৮), তার ছোট ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৭) ও তার মামী রাহেলা বেগম (৫৫)। আহতরা হলেন, আলমগীর হোসেনের বড় ছেলে নজরুল ইসলাম (৩০) ও প্রাইভেটকার চালক ইব্রাহিম খলিল সুজন (৩৩)।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঢাকার ডেমরা এলাকার বাসিন্দা কুয়েত প্রবাসী আলমগীর হোসেন সম্প্রতি দেশে ফেরেন। শুক্রবার (৩ মে) পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় কাদরা গ্রামে বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। বেড়ানো শেষে রাত সাড়ে দশটার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

মামী রাহেলা বেগমকে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশে ঢাকাতে নিয়ে আসছিলেন তিনি। পথিমধ্যে রাত দেড়টার দিকে তাদের প্রাইভেটকারটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশের বাউশিয়া মানাবে ওয়াটার পার্কের সামনে আসলে পেছন থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দিলে দিলে তা রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। এসময় আলমগীর হোসেনসহ ঘটনস্থলেই মারা যান তিনজন। চালকসহ আহত দুইজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ রিফাত মল্লিক বলেন, রাত ১টা ৫০ মিনিটের দিকে আমরা দুর্ঘটনার খবর পাই। খবর পাওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করি। হতাহত সবাইকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাদিয়া আফরিন বলেন, রাত আড়াইটার দিকে আমাদের হাসপাতালে ৫জন রোগী নিয়ে আসা হয়। তার মধ্যে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে আমরা ৩ জনকে মৃত ঘোষণা করি। আহত নজরুল ও সুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হুমায়ুন কবির বলেন, নিহতদের মরদেহ বর্তমানে পুলিশ ফাঁড়িতে রয়েছে। ঘাতক কাভার্ড ভ্যানটিকে শনাক্তেদের চেষ্টা চালাচ্ছি আমরা। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

error: দুঃখিত!