১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
মঙ্গলবার | রাত ১০:৫৬
মুক্তারপুর সেতুতে দূর্ঘটনা: বেপরোয়া অটোরিকশাকে বাঁচাতে গিয়েই নিচে পড়ে যায় কাভার্ডভ্যান
খবরটি শেয়ার করুন:
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email

মুন্সিগঞ্জ, ৯ জুন, ২০২১, সদর প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর সেতুতে উল্টো পথে আসা বেপরোয়া ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে বাঁচাতে গিয়েই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর রেলিং ভেঙে নিচে পড়ে যায় জরুরী ঔষধবাহী কাভার্ডভ্যানটি।

এ তথ্য জানিয়েছেন মুন্সিগঞ্জ সদর ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) বজলুর রহমান।

আরও পড়তে পারেন: মুক্তারপুর সেতুতে রেলিং ভেঙে কাভার্ডভ্যান নিচে

এদিকে এ ঘটনায় একজন সাধারণ পথচারি, কাভার্ডভ্যানের চালক, চালকের সহযোগি ও ঔষধ কোম্পানির সুপারভাইজার সর্বমোট ৪ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আজ বুধবার (৯ জুন) সকাল পৌনে ১১ টা’র দিকে মুক্তারপুর সেতুতে এ ঘটনা ঘটে।

মুন্সিগঞ্জ সদর ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) বজলুর রহমান জানান, ট্রান্সকম কোম্পানির মালিকানাধীন এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ঔষধবাহি একটি কাভার্ডভ্যান সকাল পৌনে ১১টা’র দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে মুক্তারপুর সেতুর উপর দিয়ে মুন্সিগঞ্জের দিকে আসছিলো। গাড়িটিতে ৩ জন ছিলেন। এছাড়া বিপুল পরিমাণ ঔষধ ছিলো। যা তারা মুন্সিগঞ্জ সদরের বিভিন্ন ফার্মেসিতে সরবরাহের জন্য নিয়ে আসছিলেন।

তিনি জানান, কাভার্ডভ্যানটি যখন সেতু পার হয়ে প্রায় মুন্সিগঞ্জের দিকে চলে এসেছে এমন সময় একটি বেপরোয়া অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে সেতুর উল্টো পাশ দিয়ে নারায়নগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলো। কাভার্ডভ্যানটি আটোকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর রেলিং ভেঙে নিচে একটি হিমাগারের উপর পড়ে যায়। এতে ব্রিজের বেশ কিছু অংশের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া হিমাগারটির ছাদের কিছু অংশও ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন, পথচারী মামুন (৩২), কাভার্ডভ্যান চালক রাসেল মুন্সি (৩২), চালকের সহযোগি বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার পূর্ব শোলানিয়া গ্রামের আঃ মান্নান এর ছেলে বেলাল হোসেন (৩২), ঔষধ কোম্পানির সুপারভাইজার কুষ্টিয়া জেলার দৈলতপুর উপজেলার বৈবাগীরচর গ্রামের নাসির বিশ্বাস এর ছেলে বাচ্চু (৩২)। এর মধ্যে পথচারী মামুন (৩২) ও চালক রাসেল মুন্সি (৩২) আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহত সকলকেই মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

error: দুঃখিত!