৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
শুক্রবার | সকাল ১১:২৩
মামা-ভাগ্নের খপ্পরে মুন্সিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস!
খবরটি শেয়ার করুন:

মুন্সিগঞ্জ, ৮ নভেম্বর, ২০২২, শিহাব আহমেদ (আমার বিক্রমপুর)

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পুরাতন পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেন মুন্সিগঞ্জ সদরের চরমুক্তারপুর এলাকার ফল ব্যবসায়ী রাজু আহাম্মেদ। তার পুরাতন এমআরপি পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ। তাছাড়া আগের পাসপোর্টে পিতার নাম নুর আমিন ও মাতার নাম শাহানুর থাকলেও জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার পিতার নাম মো. নুরুল আমিন ও মাতার নাম শাহানুর বেগম। এখন তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী পাসপোর্ট রি-ইস্যু করতে চান। এখানেই বাঁধে বিপত্তি। পাসপোর্ট অফিসের কথিত মামা-ভাগিনার খপ্পরে পড়েন তিনি।

পাসপোর্ট আবেদন, রি-ইস্যু, তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন সংক্রান্ত সরকারি সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও ফল ব্যবসায়ী রাজু আহাম্মেদের ধারণা যতই নিয়ম থাকুক কোন মাধ্যম ছাড়া পাসপোর্ট অফিসে গেলে তাকে দফায় দফায় ফেরৎ পাঠানো হবে এবং পাসপোর্ট দিতে কালক্ষেপণ করা হবে।

মুক্তারপুর সেতুর মুন্সিগঞ্জ অংশে ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রি করেন রাজু আহাম্মেদ। তার পাশ্ববর্তী ফল ব্যবসায়ী জাফরের সাথে এ নিয়ে কথা হয় তার। জাফর তাকে ঠিকানা দেন পঞ্চসারের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকার মো. রাকিবের। রাকিব জাফরের নিয়মিত কাষ্টমার। একসাথে ভালো টাকার ফল নেন তিনি। জাফরের কথা অনুযায়ী গেল সেপ্টেম্বরের ৪ তারিখে পাসপোর্ট রি-ইস্যু ও সংশোধনের জন্য রাজু আহাম্মেদ দেখা করেন মো. রাকিবের সাথে। তাকে বিস্তারিত জানালে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট রি-ইস্যু ও সংশোধন করে দিতে পারবেন বলে জানান রাকিব। এর দুইদিন পর কথা অনুযায়ী তাকে ১৫ হাজার টাকা দেন রাজু আহাম্মেদ। রাকিব রাজুকে বলেন, পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে সুমন নামে তার এক মামা রয়েছে। মামার সাহায্যে ১ মাসের মধ্যে সমস্যার সমাধানসহ তার পাসপোর্ট হাতে বুঝিয়ে দিবেন। কিন্তু এক মাস পেরিয়ে গেলেও পাসপোর্ট দিতে পারেননি রাকিব। নানা অযুহাত দেখিয়ে পার করেছেন আরও দুই সপ্তাহ। এর মধ্যে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে খোঁজ নিয়ে রাজু জানতে পারেন সুমন নামে কেউ পাসপোর্ট অফিসে চাকরি করেন না। এর দুইদিন পর আবারও রাকিবের খোঁজে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে হাজির হন রাজু। সেখানে গিয়ে রাকিবকে ফোন করলে ঘন্টাখানেক পরে এসে হাজির হন তিনি। এবার সে পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে ঢুকতে চাইলে গেটে থাকা আনসাররা ‘ভেতরে সমস্যা আছে’ জানিয়ে তাকে ঢুকতে বাঁধা দেন। সেদিন আবারও দ্রুত পাসপোর্ট দেয়ার আশ্বাসে ফিরে যান রাজু। কিন্তু এরপর থেকে আর খোঁজ নেই পাসপোর্ট অফিসের কথিত ভাগিনা রাকিবের। সর্বশেষ গেল বুধবার রাকিবের বাসায় গিয়ে দেখা যায় কেউ নেই। ঘড়ের দরজায় তালা ঝুলছে। এলাকাবাসী রাজুকে জানায়, গত কয়েকদিন ধরেই রাকিব তার পরিবার নিয়ে গ্রামছাড়া।

রাজু আহম্মেদের মত একইভাবে পাসপোর্ট অফিসের কথিত ভাগিনা রাকিবের কাছে প্রতারিত হয়েছেন আরও দুইজন। পাসপোর্টও পাননি, টাকাও ফেরৎ পাননি তারা। এরা হলেন, সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকার জিতু মোল্লা ও মো. বাবু।

মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ঘিরে এরকম মামা-ভাগিনার লোমহর্ষক ঘটনা অগণিত। এই তথাকথিত অদৃশ্য মামারা থাকেন পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে আর ভাগিনারা বাইরে। এদের কাছে প্রতারিত ভুক্তভোগীদের সংখ্যাও অনেক।

পাসপোর্ট আবেদন, রি-ইস্যু, তথ্য পরিবর্তন, সংশোধনের জন্য সরকারের ঘোষিত নির্দিষ্ট নিয়মাবলী থাকলেও পাসপোর্ট অফিসে বাস্তবে এর কোন প্রয়োগ নেই। এই সুযোগ নিয়ে পাসপোর্ট অফিস ঘিরে গড়ে উঠেছে এই কথিত মামা-ভাগিনার সিন্ডিকেট। যার যেভাবে ইচ্ছা সাধারণ মানুষের ছোট-খাটো ভুল, সংশোধন বা অপারগতাকে পুজি করে অবৈধ অর্থ উপার্জনে মেতে উঠেছে এরা।

বর্তমানে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নিয়মানুযায়ী নাগরিকদের এমআরপি ও ই-পাসপোর্ট আবেদনের ৩টি বিভাগ রয়েছে। তারা বলছে, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের তারিখ হতে নিয়মিত বিতরণের ক্ষেত্রে ১৫ কর্মদিবস বা ২১ দিনের মধ্যে, জরুরী বিতরণের ক্ষেত্রে ৭ কর্মদিবস বা ১০ দিনের মধ্যে এবং অতীব জরুরী বিতরণের ক্ষেত্রে ২ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। তবে, অনেক ক্ষেত্রেই নাগরিকরা এই নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে পাসপোর্ট পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনিয়ম দেখার কেউ নেই?

আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, মুন্সিগঞ্জের বিরুদ্ধে অহরহ অভিযোগ থাকলেও এসবের কোন প্রতিকার নেই। এসব অভিযোগ শোনারও যেন কেউ নেই। অভিযোগগুলো যার শোনার কথা পাসপোর্ট অফিসের সহকারি পরিচালক তার রুমের সামনে গিয়ে দেখা গেলো ভেতর থেকে দরজা লাগানো। পাশের একটি কক্ষে অফিসের নিয়োগপ্রাপ্ত আরেক ব্যক্তি তার হয়ে অভিযোগকারীদের কথা শুনছেন। কয়েকটির সমাধানও দিচ্ছেন আবার অনেককে ফিরিয়েও দিচ্ছেন। খুব সহজে সাধারণ মানুষ দেখা পাননা সহকারি পরিচালকের। তার সাক্ষাৎ পাওয়া অনেকের কাছে যেন সোনার হরিণ।

গত ২৬ অক্টোবর সকাল ১১ টা’র দিকে মিরকাদিমের টেংগর এলাকার রাইয়ান রামীম ইয়াছিন এর পাসপোর্ট আবেদন নিয়ে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যান তার বড় বোন জিয়াসমিন আক্তার। তার অভিযোগ, ‘পাসপোর্ট এর জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ব্যাংকে জমা দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে আবেদনপত্র নিয়ে যাই। কিন্তু সামান্য ভুলের অযুহাতে পাসপোর্ট আবেদন ফেরৎ পাঠিয়ে দেয়।’ জিয়াসমিন আক্তারের অভিযোগ, ‘পাসপোর্ট অফিস ঘিরে একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এক পক্ষ বাইরে থাকে অপরপক্ষ ভেতরে কাজ করে। সিন্ডিকেটকে ঘুষের টাকা না দিলে তারা বিভিন্ন ভুল ধরে আবেদন ফেরৎ পাঠিয়ে দেয়।’

গেল বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর সকাল সোয়া ১১ টা’র দিকে পাসপোর্ট আবেদন নিয়ে যান টংগিবাড়ী উপজেলার কামারখাড়া এলাকার সোহেল রানা৷ তার আগের পাসপোর্টে ভুল থাকায় সংশোধন করতে যান। প্রথমে নিচ তলায় ১০১ নাম্বার রুম থেকে তাকে এভিডেভিডের অযুহাতে ফেরৎ পাঠানো হয়। পরে তারা ২য় তলায় সহকারি পরিচালকের সাথে কথা বলেন। তখন তাকে এভিডেভিড লাগবে না এমন কথা সরকারি নির্দেশনায় রয়েছে জানানো হলে তিনি জাতীয় পরিচয়পত্রের ভেরিফিকেশন কপি চান। কিন্তু সেই মুহুর্তে ভেরিফিকেশন কপি না থাকায় তিনি পাসপোর্ট আবেদন জমা না দিয়েই চলে আসেন।

সোহেল রানার অভিযোগ, ‘পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে ও বাইরে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এর বাইরে কেউ আবেদন নিয়ে গেলেই অযুহাত দেখিয়ে তা ফেরৎ পাঠানো হয়।’

এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত সোমবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১ টা’র দিকে সরেজমিনে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দেখা যায়, পাসপোর্ট আবেদনের জন্য বিভিন্ন বয়সী মানুষের দীর্ঘ সারি৷ অনেকে পুরাতন পাসপোর্ট রি-ইস্যু করতে এসেছেন, আবার অনেকে নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন নিয়ে দাড়িয়েছেন।

এসময় কথা হয় মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের ভিটিমালদা এলাকার নুর মোহাম্মদ (২৭) এর সাথে। আগের একটি এমআরপি পাসপোর্ট থাকলেও সেটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে ই-পাসপোর্ট আবেদন করতে এসেছেন তিনি। তবে তার ধারণা, তিনি নিজে এই আবেদনটি নিয়ে আসলে পাসপোর্ট অফিসে বিভিন্ন অযুহাতে তার আবেদনটি গ্রহণ না করে তাকে ফেরৎ পাঠানো হতো। নাহয় পাসপোর্ট দিতে দেরি করা হতো। তাই তিনি পাসপোর্ট অফিসের কথিত এক ভাগিনার সাথে চুক্তি করে পাসপোর্ট আবেদন জমা দিতে এসেছেন।

শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালি ইউনিয়নের মদনখালী এলাকা থেকে নিয়মিত বিতরণ বিভাগে (২১দিন) নতুন পাসপোর্টের আবেদন নিয়ে এসেছেন মোহাম্মদ রাসেল হোসেন (৩১)। তিনি কারও সহযোগিতা নেননি। সাহস করে নিজেই আবেদন নিয়ে এসেছেন। তবে তিনি শুনেছেন, এখানে অনেকে হয়রানির শিকার হন।

মুন্সিগঞ্জ সদরের পঞ্চসার ইউনিয়নের নয়াগাঁও এলাকার মো. হাবিবুর রহমান (২৪) জানালেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখ সকাল ১১ টা’র দিকে পাসপোর্ট রি-ইস্যুর আবেদন করেন তিনি। অক্টোবরের ২০ তারিখে তার পাসপোর্ট পাওয়ার কথা থাকলেও ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি পাসপোর্ট পাননি।

টংগিবাড়ী উপজেলার আড়িয়লের নিধিরা এলাকার আবির হাওলাদার (১৯) অতীব জরুরী বিতরণ বিভাগে (২ কর্মদিবস) এর জন্য পাসপোর্ট আবেদন নিয়ে এসেছেন। তিনি জানান, কোন মাধ্যম ছাড়া এই আবেদন জমা দিলে নির্দিষ্ট সময়ে তিনি পাবেননা এমন ধারণা থেকে তিনি পাসপোর্ট অফিসের কথিত এক ভাগিনার মাধ্যমে আবেদন জমা দিচ্ছেন।

সিরাজদিখান উপজেলার চিত্রকোট এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর আলম (৪৪) এসেছেন পাসপোর্ট আবেদন নিয়ে। তিনিও জানালেন, পাসপোর্ট অফিসের পাশের স্থানীয় বাসিন্দা এক কথিত আত্মীয়ের মাধ্যমে আবেদন জমা দেওয়ার কথা।

এসব বিষয়ে অভিবাসীদের নিয়ে কর্মরত সংগঠন অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম (ওকাপ) মুন্সিগঞ্জের মাঠ কর্মকর্তা ইউজিন ম্রং বলেন, পাসপোর্ট অফিস একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। বিদেশগামীদের জন্য প্রথম ধাপ পাসপোর্ট গ্রহণ করা। আর প্রথম ধাপেই তারা বিভিন্ন হয়রানি ও প্রতারণার শিকার হন বলে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই আমাদের অফিসে অভিযোগ নিয়ে আসেন ভুক্তভোগীরা। আমরা বিষয়গুলি জেলা প্রশাসনসহ উর্ধ্বতনদের সাথে আলোচনায় তুলে ধরি। নিজেরাও অনেক সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি। কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের উর্ধ্বতনরা আন্তুরিক নন। তারা সাধারণ মানুষকে এড়িয়ে চলেন, তাই আরও বেশি বিতর্কের সুযোগ তৈরি হয়।

আমরা ভুক্তভোগীদের সকল অভিযোগের প্রতিকার চাই। তাদের অভিযোগগুলো শুনতে হবে, গ্রহণ করতে হবে। এবং সেগুলো সমাধানের মানসিকতা থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। আবেদনকারীদের উল্লেখিত পেশা, ইমেইল এড্রেস, জাতীয় পরিচয়পত্রের ভেরিফিকেশন কপি ইত্যাদি ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে তারা পাসপোর্ট আবেদন ফিরিয়ে দেয়। অথচ ফরমের সাথে অতিরিক্ত টাকা দিলে তারা কোন ভুল ধরেননা। আবেদন নিয়ে নেন। এত এত অভিযোগ যে সেগুলো বলে শেষ করা যাবেনা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস মুন্সিগঞ্জের সহকারি পরিচালক উম্মে শাকিলা তানিয়া বলেন, ‘পাসপোর্ট অফিসে সুমন নামে কেউ চাকরি করে না। এই ধরনের অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মানুষজন ভুল মানুষের কাছে টাকাপয়সা দিয়ে এখন পাসপোর্ট অফিসের নামে দুর্নাম করলে আমার আসলে কিছু বলার নাই। যারা পাসপোর্ট আবেদন করবেন তারা নিজেরাই করবেন। সেক্ষেত্রে কোন মাধ্যমের প্রয়োজন হয়না।’

নির্দিষ্ট সময়ে পাসপোর্ট না পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পুলিশ রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রিন্টে যায়। রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে যাদের কোন কারেকশন নাই তারা ঠিক সময়ে পাসপোর্ট পাচ্ছে। আর যাদের কারেকশন আছে- আমাদের ই-পাসপোর্টের সিষ্টেমই এরকম আগের এমআরপি পাসপোর্টের সাথে একটি অক্ষরও যদি গড়মিল থাকে সেক্ষেত্রে সিষ্টেমে আটকিয়ে দেয়। নিজের নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, জন্মতারিখ হেরফের হয়ে গেলেই সেটা সিষ্টেমে আটকিয়ে যায়। আর আটকিয়ে গেলেই সেটা ব্যাকেন্ড ভেরিফিকেশনে যায় কারেকশন কমিটিতে। কারেকশন কমিটি যাচাই-বাছাই শেষে যখন ছাড়ে তখন প্রিন্টে যায়৷ এজন্য দেরি হয়। অনেকে পাসপোর্ট হাইড করে, সেক্ষেত্রেও পাসপোর্ট পেতে বিলম্ব হয়। ঠিকমতো কাগজপত্র জমা দেয় না। যাদের কারেকশন আছে তাদের মূলত দেরি হয়, আর যাদের কারেকশন নেই তারা কিন্তু ঠিক সময়েই পাসপোর্ট পাচ্ছে।

তিনি বলেন, পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি সরাসরি আমি শুনি। ২০১ নং কক্ষে আমার কাছে অভিযোগকারীরা আসতে পারেন। কার কি সমস্যা সেগুলি শুনি এবং সমাধানের চেষ্টা করি। এক্ষেত্রে কোন বাঁধা নেই।

error: দুঃখিত!