টঙ্গীবাড়ী থানার ভেতরে যুবলীগ নেতার হাতে পুলিশ কর্মকর্তা লাঞ্ছিত
189

টঙ্গীবাড়ী থানার পুলিশের দু’কর্মকর্তাকে মারধর ঘটনায় পুলিশের চিরুনী অভিযান চলছে। অপরাধীদের ধরতে মুন্সীগঞ্জ থেকে টঙ্গীবাড়ীতে দাঙ্গা পুলিশ পাঠানো হয়েছে। টঙ্গীবাড়ীতে প্রতিটি পয়েন্ট চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। টঙ্গীবাড়ী থানার পাশের গ্রাম বাঁশ বাড়ি এলাকা পুলিশ ঘিরে রেখেছে। টঙ্গীবাড়ীতে বর্তমানে কারফিউ অবস্থা বিরাজ করছে।

টঙ্গীবাড়ী থানার ভেতরে যুবলীগ নেতার হাতে পুলিশ কর্মকর্তা লাঞ্ছিত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ এক নেতাকে পুলিশ মারধর করেছে। আর এর প্রতিবাদে পুলিশের বিরুদ্ধে টঙ্গীবাড়ীতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতারা মিছিল করেছে।

শনিবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পৃথক পৃথক ভাবে এসব ঘটনা ঘটে।

এদিকে এসব ঘটনার পর মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে  পুলিশ সদস্য ও যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শনিবার সন্ধ্যার পর টঙ্গীবাড়ী উপজেলা সদরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আহত ছাত্রলীগ নেতা জীবন কান্তি জানান,  শনিবার দুপুরে টঙ্গীবাড়ী থানার অভ্যন্তরে জষলং ইউনিয়নের জমি সংক্রান্ত ঘটনার সালিশ বসে টঙ্গীবাড়ী থানার ভেতরে। এর বিচার চলাকালে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মেহেদী হাসান সালিশির একটি  পক্ষের অবস্থান নেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন টঙ্গীবাড়ীর যুবলীগ নেতা নাহিদ খান। যুবলীগ নেতা নাহিদ খান টঙ্গীবাড়ী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রাহাত খানের ভাতিজা।

এ ঘটনায় তর্কবির্তকে জড়িয়ে পড়েন ওসি-তদন্ত ও যুবলীগ নেতা নাহিদ খান। এরপর বিষয়টি হাতাহাতির পর্যায় পর্যন্ত গড়ায়। এ সময় টঙ্গীবাড়ী থানার ওসি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

অথচ থানার ভেতরে এভাবে কোন রকম সালিশ করাব বিধান কোন অাইনে বলা নেই।

অপরদিকে যুবলীগ নেতা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার খবর পেয়ে টঙ্গিবাড়ী থানার কাছে জীবন কান্তি গেলে এস আই ইব্রাহিম তার উপর অর্তকিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

জীবন কান্তি আরো জানান, টাকার বিনিময়ে ওসি-তদন্ত বিচার পক্ষপাতিত্ব করেছে বলে শুনেছি।

উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জানান, বিকেলে পুলিশের হাতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জীবন কান্তি প্রহ্নত হওয়ার প্রতিবাদে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা পৃথক স্থানে প্রতিবাদ মিছিল করেছে।

অপরদিকে টঙ্গীবাড়ী থানার এস আই সাখাওয়াত হোসেন জানান, যুবলীগ নেতা নাহিদ খান থানার ওসি-তদন্ত মেহেদী হাসানকে মারধর করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। থানার ভেতর থেকে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর করে কিভাবে নাহিদ পালিয়ে গেল তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে! কারণ, থানার গেটে ২৪ ঘন্টা একজন করে ডিউটি অফিসার থাকে।

বর্তমানে আসামী গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।

শ্রীনগরশ্রীনগর সিরাজদিখানসিরাজদিখান টংগিবাড়ীটংগিবাড়ী সদরসদর গজারিয়াগজারিয়া লৌহজংলৌহজং মুন্সিগঞ্জ