১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
বৃহস্পতিবার | দুপুর ১২:৫৪
আবৃত্তিতে ঢাকা বিভাগ চ্যাম্পিয়ন মুন্সিগঞ্জের অন্বেষা, লক্ষ্য এবার জাতীয় পদক
খবরটি শেয়ার করুন:
289

মুন্সিগঞ্জ, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬-এর ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ে বাংলা কবিতা আবৃত্তিতে (ক-বিভাগ) চ্যাম্পিয়ন হয়ে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় লড়তে যাচ্ছে মুন্সিগঞ্জের মেয়ে অন্বেষা মিত্র।

ঢাকার টিচার্স ট্রেনিং কলেজে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় সে অংশ নেবে।

মুন্সিগঞ্জ জেলা থেকে আবৃত্তিতে একমাত্র প্রতিযোগী হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের বিরল সুযোগ পেয়েছে এই ক্ষুদে আবৃত্তিশিল্পী। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অন্বেষা অসামান্য নৈপুণ্য প্রদর্শন করে প্রথম স্থান অধিকার করে।

অন্বেষা মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার পাঁচগাঁও আলহাজ্ব ওয়াহেদ আলী দেওয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে শিক্ষক দম্পতি শ্যামা প্রসাদ মিত্র ও সবিতা রানী বর্মনের সন্তান।

অন্বেষার এই সাফল্যের পথ শুরু হয়েছিল টংগিবাড়ী উপজেলা পর্যায়ে প্রথম হওয়ার মাধ্যমে। এরপর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় মুন্সিগঞ্জে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে সে বিভাগীয় পর্যায়ের লড়াইয়ে অংশগ্রহণের টিকিট পায়। সবশেষে ঢাকা বিভাগে প্রথম হওয়ার মধ্য দিয়ে সে এখন দেশসেরা হওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে।

‘কণ্ঠকুঁড়ি’ আবৃত্তি স্কুলে নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে গড়ে তুলেছে অন্বেষা। তার এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কণ্ঠকুঁড়ি আবৃত্তি স্কুলের পরিচালক, শিক্ষক ও সাংবাদিক জিতু রায়।

তিনি জানান, অন্বেষার মেধা এবং কঠোর পরিশ্রমই তাকে আজ এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসার এই দীর্ঘ যাত্রায় অন্বেষা জেলাবাসীর জন্য গৌরব বয়ে এনেছে।

সাফল্যের অনুভূতি প্রকাশ করে অন্বেষা তার সকল শিক্ষক ও বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। বিশেষ করে তার আবৃত্তি শিক্ষক জিতু রায়ের দিকনির্দেশনা তাকে একজন যোগ্য প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তুলেছে বলে সে জানায়। জাতীয় পর্যায়েও যেন সে মুন্সিগঞ্জের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে, সেজন্য সে সবার কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছে।