২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
মঙ্গলবার | রাত ১১:১১
Search
Close this search box.
Search
Close this search box.
কুমারী পূজা করা হয় যে কারণে
খবরটি শেয়ার করুন:

আজ মহাষ্টমী। শারদীয় দুর্গা পূজার সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং জাঁকজমকপূর্ণ দিন আজ। দেবীর সন্ধিপূজা এবং কুমারী পূজার মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। কুমারী বালিকার মধ্যে শুদ্ধ নারীর রূপ চিন্তা করে তাকে দেবী জ্ঞানে পূজার নামই কুমারী পূজা।

কুমারী পূজা কেন করা হয়:

হিন্দু শাস্ত্র মতে, সাধারণত এক বছর থেকে ১৬ বছরের অজাতপুষ্প সুলক্ষণা কুমারীকে পূজার উল্লেখ রয়েছে। ব্রাহ্মণ অবিবাহিত কন্যা অথবা অন্য গোত্রের অবিবাহিত কন্যাকেও পূজা করার বিধান রয়েছে। বয়সভেদে কুমারীর নাম হয় ভিন্ন। উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায়, শাস্ত্রমতে; এক বছর বয়সে সন্ধ্যা, দুইয়ে সরস্বতী, তিনে ত্রিধামূর্তি, চারে কালিকা, পাঁচে সুভগা, ছয়ে উমা, সাতে মালিনী, আটে কুব্জিকা, নয়ে অপরাজিতা, দশে কালসন্ধর্ভা, এগারোয় রুদ্রাণী, বারোয় ভৈরবী, তেরোয় মহালক্ষ্মী, চৌদ্দয় পীঠনায়িকা, পনেরোয় ক্ষেত্রজ্ঞা এবং ষোল বছরে অম্বিকা বলা হয়ে থাকে। এদিন নির্বাচিত কুমারীকে স্নান করিয়ে নতুন কাপড় পরানো হয়। হাতে দেয়া হয় ফুল, কপালে সিঁদুরের তিলক ও পায়ে আলতা। ঠিক সময়ে সুসজ্জিত আসনে বসিয়ে ষোড়শোপচারে পূজা করা হয়। চারদিক মুখরিত হয় শঙ্খ, উলুধ্বনি আর মায়ের স্তব-স্তুতিতে।

দার্শনিক তত্ত:

কুমারী পূজার দার্শনিক তত্ত্ব সম্পর্কে উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায়, নারীতে পরমার্থ দর্শন ও পরমার্থ অর্জন। বিশব ব্রহ্মাণ্ডে যে ত্রিশক্তির বলে প্রতিনিয়ত সৃষ্টি, স্থিতি ও লয় ক্রিয়া সাধিত হচ্ছে, সেই ত্রিবিধ শক্তিই বীজাকারে কুমারীতে নিহিত। কুমারী প্রকৃতি বা নারী জাতির প্রতীক ও বীজাবস্থা। তাই কুমারী বা নারীতে দেবীভাব আরোপ করে তার সাধনা করা হয়। এ সাধনপদ্ধতিতে সাধকের নিকট বিশবজননী কুমারী নারীমূর্তির রূপ ধারণ করে; তাই তার নিকট নারী ভোগ্যা নয়, পূজ

ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনে অষ্টমী পূজা সকাল থেকেই শুরু হবে। এ ছাড়া অন্যান্য মন্দিরে মহাষ্টমীর পূজা বিহিত অনুষ্ঠিত হবে।দেবীর সন্ধি পূজা আর কুমারী পূজার মধ্য দিয়ে পালন হবে দিনটি। কুমারী বালিকার মধ্যে শুদ্ধ নারীর রূপ চিন্তা করে তাকে দেবী জ্ঞানে পূজা করবেন ভক্তরা।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে মহাষ্টমী উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই লক্ষ্য করা যায় মণ্ডপগুলোতে মানুষের ঢল। সকালে এবার অঞ্জলি এবং সন্ধিপুজো থাকায় সাতসকালেই এই গুরু দায়িত্বটা সেরে ফেলেছেন অনেকেই। ফলে, এবার শুধুই ঠাকুর দেখার পালা। ফলে, অষ্টমীর সকালেই মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমাচ্ছে বাঙালিরা। পুজো উদ্যোক্তাদের আশা, অষ্টমীর ভিড় সপ্তমীর রাতের ভিড় কেউ ছাপিয়ে যাবে। কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম কলকাতা২৪x৭ থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

২২ অক্টোবর মহানবমী ও বিজয়া দশমী অনুষ্ঠিত হবে। ২৩ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জন। এ দিন বিকেলে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গন থেকে বিজয়ার শোভাযাত্রা বের করা হবে। এই শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারোৎসব।

error: দুঃখিত!