শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল আবার বন্ধ

মুন্সিগঞ্জ, ২৬ অক্টোবর, ২০২০, বিশেষ প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

পদ্মায় নাব্য সংকটে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে ১১ দিন বন্ধ থাকার পর আজ শনিবার সকালে বিকল্প চ্যানেলে সীমিত পরিসরে ফেরী চলাচল শুরু হয়।

তবে বিকল্প চ্যানেলটি দিয়ে পদ্মা সেতুর প্রকল্পের অধীনে থাকা ৪০০ কেভিএ বিদ্যুৎয়ের টাওয়ার নির্মান কাজে ব্যবহৃত ক্রেন ও গুরুপূর্ন নৌযান চলাচল বন্ধ সহ সেতুর কাজে জটিলতা তৈরি হয়৷ এতে চালুর ৫ঘন্টার মাথায় বেলা ১১ টায় আবারো ফেরি চলাচল বন্ধ করেছে বিআইডাব্লিউটিসি।

বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলাঘাটে সহ-ব্যবস্থাপক (বানিজ্য) মোঃ ফয়সাল জানান, সোমবার সকাল ৬টায় মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে কাঠালবাড়ি ঘাটে উদ্দ্যেশ্যে ছেড়ে যায় ফেরি কিশোরী ও ফেরী কাকলি।

ফেরিগুলো নদীর লৌহজং পয়েন্ট পদ্মা সেতুর ৩৭-৩৮নং পিয়ারের মাঝ বিকল্প চ্যানেলে পদ্মা পারি দেয়। পরে কাঠালবাড়ি ঘাট থেকেও ২টি ফেরি শিমুলিয়া ঘাটে আসে।

বেলা ১১টার দিকে পদ্মা সেতুর কাজে বিঘ্ন ঘটছে বলে সেতু কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়। এরপরই উর্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশে ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়।

এবিষয়ে পদ্মা সেতু নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়া আব্দুল কাদের জানান, নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বিআইডাব্লিউটিসির ফেরিগুলো সেতুর পাশ দিয়ে চ্যানেলে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়ছিলো। তবে তারা সে চ্যানেল ব্যবহার না করে অনুমতি না নিয়েই বিকল্প চ্যানেলে ৪০০কেভিএ বিদ্যুৎ লাইনের রুট দিয়ে চলাচল করছিলো। এতে সেতু প্রকল্পের অধীনে থাকা নির্মানাধীন ৪০০কেভিএ বিদ্যুৎ টাওয়ারের কফারড্যামবাহী ৫০০টন ওজনের ক্রেণ সহ সেতুর কাজে গুরুত্বপূর্ন নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুটিই সরকারি কাজ, সেতুর কাজে জটিলতা তৈরি হওয়ায় তাদেরকে জানানো হয়েছে। তারা মন্ত্রনালয় থেকে অনুমতি পেলে অবশ্যই চ্যানেলটি ব্যবহার করতে পারবে।

উল্লেখ্য, নাব্য সংকট ও চ্যানেল বিপর্যয়ের কারণে কয়েক মাস যাবতই ফেরী চলাচর ব্যাহত হলেও গত ১৫অক্টোবর দুপুর থেকে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে পুরোপুরি বন্ধ ছিলো ফেরী চলাচল।

আপনার মন্তব্য জানান...

error: দুঃখিত!