বাঙালির গর্ব, বিক্রমপুরের কৃতি সন্তান সাতারু ব্রজেন দাস; এক বীরের গল্প!

আলসে বলে বেশ দুর্নাম আছে বাঙালী জাতির। আমরা পরিশ্রম করতে চাই না, স্বভাবে অতিরিক্ত আরামপ্রিয়, কিংবা অল্পতেই তুষ্ট হবার অভ্যাস আছে আমাদের। কিন্ত আমাদেরই কিছু পূর্বপুরুষ সামর্থ্যের সীমা ভেঙেছিলেন, দেখিয়ে দিয়েছিলেন বাঙালীর রক্তে কত তেজ, সে তেজের বলে বলীয়ান হয়ে বাঙালী পাড়ি দিতে পারে সাগর-মহাসাগর, অবাধ্য জেদ চেপে বসলে মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে বীর বাঙালী নতুন কীর্তিগাঁথা রচনা করে সারাবিশ্বে ফেলে দিতে পারে হইচই, জন্ম দিতে পারে নতুন ইতিহাসের! আজ তেমনই এক বীর বাঙালীর গল্প শোনাবো, নাম তার ব্রজেন দাস, আমাদের মুন্সিগঞ্জের ছেলে তিনি। যে কীর্তিগাঁথা তিনি রচনা করেছিলেন আজ থেকে ষাট বছর আগে, সেটা নিয়ে এখনও আলোচনা হয়, লোকে গর্ব করে বাঙালী ব্রজেন দাসের বীরত্বকে স্মরণ করে।

কি করেছিলেন ব্রজেন দাস? কেন তার এই কীর্তি নিয়ে ছয় দশক পরেও এত আলোচনা? ব্রজেন দাস সাঁতরেছেন, সাঁতার কেটে পার করেছেন ইংলিশ চ্যানেল, তাও এক দুইবার নয়, ছয়বার! উপমহাদেশের প্রথম সাঁতারু হিসেবে অনন্য এই কীর্তি গড়েছিলেন ব্রজেন। তবে পথচলাটা মোটেও সহজ ছিল না তার জন্যে, পদে পদে হতে হয়েছে নানা বাধার সম্মুখীন। কিন্ত সেসব বাধাকে পায়ে দলে এগিয়ে গেছেন ব্রজেন দাস, রচনা করেছেন বিজয়গাঁথা।

ব্রজেন দাসের জন্ম মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরে, সেটা তো আগেই বলা হয়েছে। নদীমাতৃক এই অঞ্চলের মানুষজন সাঁতার ভালোবাসবে, এটাই স্বাভাবিক। ছোটবেলা থেকেই বুড়িগঙ্গার বুকে লাফ-ঝাঁপ দিয়েই শৈশব-কৈশরের সোনালী দিনগুলো কাটিয়েছেন ব্রজেন। ঢাকার কে এল জুবিলি হাইস্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করে ব্রজেন দাস পড়তে গেলেন কলকাতা। তখনও ভারত ভাগ হয়নি। কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট আর বি.এ পাশ করেছিলেন ব্রজেন দাস, সাঁতারের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কটা তখন থেকেই জোরালো হয়। কৈশরের শখটাকে তিনি পরিণত করেছিলেন নেশায়।

ভারত ভাগ হলো, পূর্ব বাংলা তখন পাকিস্তানের একটা অংশ, শোষণ আর অত্যাচারের দিনগুলো শুরু হয়েছে, চলছে এই অঞ্চলের অধিবাসীদের সঙ্গে বঞ্চনা। খেলাধুলাও এর বাইরে পড়েনি। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের সাঁতার ফেডারেশন গঠিত হয়েছিল, সেটার সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়েছিল লাহোরে। অথচ পশ্চিম পাকিস্তানে নদী কয়টা আছে সেটা হাতের আঙুল গুণেও বের করা যাবে। পূর্ববঙ্গে এত নদী, এত সাঁতারু, অথচ জাতীয় ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটিতে স্থান দেয়া হয়নি কোন বাঙালীকেই!

বঞ্চনার শেষ এখানেই নয়। ১৯৫৪ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল ন্যাশনাল অলিম্পিক, ১০০ মিটার ফ্রি-স্টাইল সাঁতারে প্রথম হলেন ব্রজেন দাস। তিনি ততদিনে সাঁতারকে নেশা আর পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। কিন্ত তার এই বিজয় মানতে পারেনি পাকিস্তানী বিচারকেরা। মনগড়া কারণ দেখিয়ে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল ব্রজেন দাসকে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঘা বাঘা অফিসারদের হারিয়ে সবার আগে সাঁতার শেষ করেছিলেন ব্রজেন। একজন ‘নীচুজাতের বাঙালে’র এমন সাফল্যে আঁতে ঘা লেগেছিল ওদের। সেকারণেই ব্রজেনকে ডিসকোয়ালিফাইড করেছিল বিচারকেরা। কিন্ত পরেরদিনের খবরের কাগজে এই অনিয়মের প্রতিবাদ করা হয় তীব্রভাবে। ফলশ্রুতিতে বিচারকেরা আবার ইভেন্টের আয়োজন করতে বাধ্য হলো, সেখানে আরও একবার বাকীদের পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হলেন ব্রজেন দাস।

পরের বছর পাকিস্তান অলিম্পিকেও ১০০ আর ৪০০ মিটারে চ্যাম্পিয়নের নাম ব্রজেন দাস। এই টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়নেরাই ১৯৫৬ সালের মেলবোর্ন অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবেন, নিয়ম ছিল এটাই। কিন্ত ব্রজেন দাস বাঙালী হওয়ায় তার বেলায় পাল্টে গেল নিয়মটা! অস্ট্রেলিয়ায় পাকিস্তানের দলে পাঠানো হলো এমন প্রতিযোগীদের, যাদের পেছনে ফেলে জিতেছিলেন ব্রজেন দাস। পুরো পাকিস্তানে সাঁতার জগতে তিনি তখন অবিসংবাদিত সেরা, সেই সেরা খেলোয়াড়টিকে শুধুমাত্র জাতিগত বৈষম্যের কারণে বাদ পড়তে হয়েছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে।

খারাপ লেগেছে, কষ্ট পেয়েছেন, কিন্ত ভেঙে পড়েননি তিনি। দমে যায়নি তার আকাশছোঁয়া আত্মবিশ্বাস। বৈষম্যের কারণে সুযোগ পাননি বিশ্বমঞ্চে নিজের সেরাটা দেখানোর, কিন্ত নিজেকে সেরাদের একজন হিসেবে প্রমাণ করার প্রতিজ্ঞাটা মনের ভেতরে পুষে রেখেছিলেন এই বাঙালী সাঁতারু। মনে তখন তার দারুণ জেদ, সাঁতারে দারুণ কিছু একটা করে পশ্চিম পাকিস্তানীদের দেখিয়ে দিতে হবে, বুঝিয়ে দিতে হবে বাঙালীর রক্তের তেজ!

একদিন সকালে রোজকার মতো খবরের কাগজ পড়তে গিয়েই একটা জায়গায় চোখ আটকে গেল তার। কয়েকবার পড়লেন তিনি খবরটা। কোন এক সাঁতারু পরপর চারবার প্রচেষ্টা চালিয়েও ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়েছেন, সেটার কথাই লেখা কলকাতার সেই পত্রিকায়। ইংলিশ চ্যানেল জিনিসটা কি সেটা তখনও জানেন না ব্রজেন দাস, কিন্ত মাথায় ভূত চাপলো, অন্যেরা যেটা পারছে না সেটাই করে দেখাবেন তিনি। নাস্তা করেননি তখনও, বাসী মুখে তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন, যেভাবেই হোক, ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে হবেই তাকে!

 

খোঁজখবর শুরু করলেন তিনি, যে ভারতীয় সাঁতারু চারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন, কলকাতায় গিয়ে পত্রিকা অফিস থেকে বের করলেন তার ঠিকানা। তার সঙ্গে দেখা করে প্রয়োজনীয় তথ্য নিলেন। তারপর শরণাপন্ন হলেন ক্রীড়াঙ্গনে তার পরিচিত শুভাকাঙখীদের। তার মনোবাঞ্ছার কথা শুনেই আঁতকে উঠলেন সবাই। এই লোকে বলে কি! যেটা আজ পর্যন্ত ভূ-ভারতের কেউ করতে পারেনি, সেটা করার কথা ভাবছে সে! তাকে অনেক বোঝানো হলো, ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেয়ার ভয়াবহ দিকগুলো সবাই যার যার ক্ষুদ্র জ্ঞানে তুলে ধরলেন তার সামনে। কিন্ত ব্রজেন দাস তো দমে যাওয়ার পাত্র নন মোটেও। তিনি তো মনে মনে শপথ নিয়ে ফেলেছেন, কিছু একটা করে পশ্চিম পাকিস্তানীদের চমকে দিতে হবে। জবাব দিতে হবে বঞ্চনার, জানিয়ে দিতে হবে, শারিরীক সামর্থ্য কিংবা অন্য কোথাও বাঙালীরা পিছিয়ে নেই একটুও।

পরিচিতজনদের সাহায্যে ব্যবস্থা হয়ে গেল সবকিছুর। টাকা জোগাড় করাটা একটা বড় সমস্যা ছিল, সেটার সমাধান করা হলো চাঁদা তুলে। সরকারী সাহায্য মেলেনি এক কানাকড়িও। পাকিস্তান এয়ারলাইন্সের কাছে আবেদন করা হলো, তারা যেন ব্রজেনের ঢাকা-লণ্ডন-ঢাকা রুটের সৌজন্য টিকেট দেয়, কিন্ত তারা সাফ না করে দিলো। এরকম প্রত্যাখ্যান আরও নানা জায়গায় সইতে হয়েছে তাজে। শেষমেশ সবকিছু পায়ে মাড়িয়ে ব্রজেন দাস উড়াল দিলেন ফ্রান্সের লক্ষ্যে। শিল্পের নগরী প্যারিস, জাদুঘরের শহর প্যারিস। সেখানেই পা রাখলেন ব্রজেন দাস, যেটা তিনি করতে এসেছেন, সেটাকেও কি জাদুর চেয়ে কম কিছু বলা যায়?

১৯৫৮ সালের ৮ই আগস্ট। রাত পৌনে দুইটা। গভীর অন্ধকার চারদিকে, দুই হাত দূরের জিনিসও দেখা যায় না, এমন অবস্থা। কুয়াশার আবরণে ঢাকা চারদিক, হিমেল বাতাসে দাঁড়িয়ে থাকা দায়। পানি কণকণে ঠান্ডা, ঢেউয়ের তীব্রতাও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকখানি বেশি। শনশন শীতল বাতাসে কেমন একটা অদ্ভুত রহস্যের গন্ধ। ব্রজেন দাস দাঁড়িয়ে আছেন তীরে, পাশে আরও জনা চল্লিশেক সাঁতারু; তেইশটি পৃথক দেশ থেকে ওরাও এসেছেন সাঁতার কেটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে। ঝুপ করে একটা শব্দ হলো, তারপর কয়েকটা, ব্রজেন সহ দলের সবাই ঝাঁপিয়ে পড়েছেন পানিতে। সামনে গভীর অন্ধকারে ঢাকা সাগরপথ, পাড়ি দিতে হবে একুশ মাইল লম্বা দূরত্ব!

একশো আর চারশো মিটারের জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ব্রজেন দাস। তবে একটানা অনেক্ষণ সাঁতারের অভ্যাসও ছিল। ঢাকা-চাঁদপুর নদীপথে পাড়ি দিয়েছেন বেশ ক’বার। কিন্ত সেসবের সঙ্গে ইংলিশ চ্যানেলের তুলনা চলে না। কোন অভিজ্ঞতা নেই, লোকের মুখে শোনা কথাকে সম্বল করে ঝাঁপ দিয়েছেন তিনি অথৈ সাগরে। অবশ্য লণ্ডনে আসার পরে কয়েকদিন অনুশীলন করেছিলেন, কিন্ত সেটা নিতান্তই অপ্রতুল। তার ওপরে বিরুদ্ধ প্রকৃতি বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সামনে। পাশ দিয়েই চলছে চ্যানেল কমিটির পর্যবেক্ষক দলের বোট। হিমশীতল ঠাণ্ডায় শরীর জমে আসে ব্রজেন দাসের, হাত-পা নাড়াতে কষ্ট হয় প্রচণ্ড। তখন তার মনের পর্দায় ভেসে ওঠে সেইসব অবহেলার স্মৃতিগুলো। পাকিস্তানের সেরা সাঁতারু হয়েও তিনি অংশ নিতে পারেননি অলিম্পিকে, শুধুমাত্র বাঙালী হবার ‘অপরাধে’! শরীরের রক্ত গরম হয়ে ওঠে তার। পানি কেটে এগিয়ে যেতে থাকেন ব্রজেন দাস, চোখেমুখে বিজয়ের স্বপ্ন, মনের ভেতরে পাকিস্তানী শোষকদের দেখিয়ে দেয়ার তাড়না।

দূরত্ব কমে আসতে থাকে ধীরে ধীরে, পনেরো-দশ-পাঁচ করে মাইলের সংখ্যা নেমে আসে তিন-দুই-একে। দলের অনেকেই ট্রলারে উঠে পড়েছে ইতিমধ্যে, হার মেনে নিয়েছে তার আগেই। ব্রজেন দাস হার মানেননি, বাঙালী কখনও হারার আগে হেরে যায় না। তেরো ঘন্টা পঁয়তাল্লিশ মিনিট পরে পায়ের নীচে মাটির অস্তিত্ব খুঁজে পেলেন ব্রজেন দাস। ততক্ষণে পূর্ব আকাশে সূর্য উঠে আবার মিলিয়েও গেছে, গোধুলীর আলোয় রাঙা সময়টায় লণ্ডনের মাটি সিক্ত হলো ব্রজেন দাসের পদস্পর্শে। এর আগে কোন এশিয়ান মানব এই কাজটা করে দেখাতে পারেননি, যেটা করেছেন ব্রজেন দাস!

পাকিস্তানের পতাকাটা বাতাসে পতপত করে উড়লো ব্রজেন দাসের সৌজন্যে। যে ব্রজেন দাসকে অবহেলার সঙ্গে ছুঁড়ে ফেলেছিল পাকিস্তানীরা, যে ব্রজেন দাসের প্রতিভাকে মূল্যায়ন করতে চায়নি তারা, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র বাঙালী হবার কারণে যাকে হতে হয়েছে বঞ্চনার শিকার, সেই ব্রজেন দাসের কৃতিত্বেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের নামটা একবার উচ্চারিত হলো শ্রদ্ধার সঙ্গে। ব্রজেন দাস নামের এক বীর বাঙালী আজ থেকে ষাট বছর আগে পাকিস্তানীদের সমুচিত জবাব দিয়েছিলেন নিজের বীরত্বগাঁথা রচনা করে। যারা তাকে অবহেলা করেছিল। তাদেরকেই তিনি বাধ্য করেছেন তাকে নিয়ে গর্ব করতে, তাকে জাতীয় বীর হিসেবে মেনে নিতে। এমন বিজয় তো চাট্টেখানি কথা নয়!

এরপরেও ব্রজেন দাস ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন, একবার দুবার নয়, পাক্কা ছয়বার। সেই আমলে সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে বেশীবার ইংলিশ চ্যানেল পার করেছিলেন তিনিই। এরমধ্যে একবার পুরোটা পথ পেরিয়েছিলেন মাত্র দশ ঘন্টা পঁয়ত্রিশ মিনিট সময়ে; সেই সময়ের রেকর্ড ছিল সেটা। অজস্র সম্মাননা আর পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল তাকে, বড় বড় দিগগজ সব লোকজন তার বন্দনায় মেতেছেন, তাকে প্রশংসার বৃষ্টিতে ভাসিয়েছেন। ব্রজেন দাস দেখিয়ে দিয়েছিলেন, বাঙালী চাইলে বিশ্বজয় করতে পারে, বাঙালী চাইলে রেকর্ডবুকে প্রলয়নাচন ধরিয়ে দিয়ে সবকিছু ওলট-পালট করে দিতে পারে!

হূমায়ুন আহমেদ ‘অনিল বাগচীর একদিন’ বইতে লিখেছিলেন- “পশ্চিমারা বাঙালীদের যতোটা তুচ্ছ করেছে, ততটা তুচ্ছ করার কিছু নেই। বরং জাতি হিসেবে এরা ভয়ঙ্কর। এরা মহাঅলস, একটু ভালোমন্দ খেতে পারলে মহাখুশী, গল্প করার সুযোগ পেলে খুশী। তবে এদের রক্তের মধ্যে কিছু একটা আছে, বড় কোন গণ্ডগোল আছে মাঝে মাঝে এরা ক্ষেপে যায়। কিছু বুঝতে চায় না, কিছু শুনতে চায় না। সাহস বলে যে বস্তু এদের চরিত্রে নেই, সেই জিনিস কোত্থেকে যেন চলে আসে!”

ব্রজেন দাস তো এমনই এক তারছেঁড়া বাঙালী ছিলেন, স্বদেশ আর স্বজাতীর অপমান যার বুকে শেল হয়ে বিঁধেছিল, বাঙালীর রক্তের তেজ দেখিয়ে দেয়ার তাড়নায় যিনি এক সকালের নেয়া সিদ্ধান্তে পাড়ি দিয়েছিলেন ইংলিশ চ্যানেল। ব্রজেন দাস শুধু এক ইংলিশ চ্যানেলজয়ী সাঁতারু নন, ব্রজেন দাস বাঙালীর সাহসিকতার প্রতীক, এক বিজয়ী বীরপুরুষের নাম ব্রজেন দাস, যিনি জয় করেছেন মহাকাল!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: দুঃখিত!