গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নাম বঙ্গবন্ধুর দেয়া- মুন্সিগঞ্জে ডা: জাফরুল্লাহ

মুন্সিগঞ্জ, ২১ নভেম্বর, ২০২০, সদর প্রতিনিধি (আমার বিক্রমপুর)

মুন্সিগঞ্জে ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নাম বঙ্গবন্ধুর দেয়া। মুক্তিযুদ্ধের পর আজকে আমার যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি তার নামটা বঙ্গবন্ধুর দেয়া। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য ৩১ একর ভুমি একর করে দিয়েছেন। ওনি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পর বলেছিলেন, ডা: ঢাকাতে একটি বড় করে হাসপাতাল দিতে হবে।’

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘কেউ খাবে তো কেউ খাবে তা হবে না। প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলো ভালো কাজ করেছেন। উনি আরো ভালো কাজ করতে চান কিন্তু কেন যেন তিনি আটকে যান।’

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘এন্টিবায়োটিকের বিপদের কথা তিনি বলেছেন। এটা একদম সঠিক কথা। কিন্তু তার জন্য তিনি কি ব্যবস্থা নিয়েছেন। সুন্দর কথাটা বলেছেন বিপদ আসতে পারে বলেছেন। কিন্তু কি করতে হবে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপসন অডিট করতে হবে। সে আজে বাজে অষুধ দিচ্ছে কিনা? এটা তিনি আর করেন না।’

তিনি বলেন, মুন্সিগঞ্জ জেলা ১৯৮৪ সালে মহাকুমা থেকে জেলা হয়েছে। এতদিনে ভাসানীর কথামতো দেশ চললে বাংলাদেশ আজ ব্রুনাই হতো। এখন আর ইসলামাবাদরা শাসন করে না। শাসন হচ্ছে গোপালগঞ্জের, শাসন হচ্ছে কিশোরগঞ্জের, শাসন চলছে ঢাকার।

ভাসানীর ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মুন্সিগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীর মিনারে শনিবার (২১ নভেম্বর) বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত দীর্ঘ দুই ঘন্টা ব্যাপী আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘ভাসানীর চেতনায় প্রগতিশীল ও দেশ প্রেমিক শক্তির ঐক্য চাই’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মাওলানা ভাসানীর ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, আমি একজন সৌভাগ্যবান ব্যক্তি। বাংলাদেশের যেই শাসন ক্ষমতায় এসেছে তাদের প্রত্যেককে কাছে থেকেই তিনি দেখেছেন। বিশেষত তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বলেন। তিনি তাকে খুব স্নেহ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, মুন্সিগঞ্জ জেলায় ৬টা সিমেন্ট ফ্যাক্টরী হয়েছে, কোন তুলনা নেই।

উপস্থিত ভাসানী অনুসারী সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা আপনাদের এলাকার শাসন নিতে হবে তবে দ্রুত আপনাদের উন্নয়ন হবে।

ভাসানী অনুসারী পরিষদের মুন্সিগঞ্জ জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মুজিবর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক মহাসচিব নঈম জাহাঙ্গীর, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী, জাতীয় পার্টির প্রসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবীব লিংকন, সাবেক ন্যাপ নেতা অধ্যাপক আবুল বাশার প্রমুখ।

আপনার মন্তব্য জানান...

error: দুঃখিত!